আগে দুই পরিস্থিতি আলাদা করুন
এক ক্লিক দুবার ধরা পড়ার দুই অর্থ হতে পারে। মাউস সত্যিই দুটি চাপ পাঠায়, অথবা একটি চাপকে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ অন্যভাবে ব্যাখ্যা করে।
ব্রাউজার কেবল তার কাছে আসা বোতাম চাপের সংখ্যা ও মধ্যবর্তী সময় গুনতে পারে। দুটি চাপ এসেছে বোঝা যায়, কিন্তু সুইচ নাকি আঙুলের নড়াচড়া থেকে এসেছে তা বোঝা যায় না।
ধাপ 1 · ধীরে একবার করে ক্লিক দেখুন
দ্রুত ক্লিক করলে ইচ্ছাকৃত ডাবল ক্লিক আর অনিচ্ছাকৃত পুনরাবৃত্তি মিশে যায়। ইচ্ছা করে ধীরে সমান বিরতিতে চাপলে অপ্রত্যাশিত ছোট পুনরাবৃত্তি আলাদা বোঝা যায়।
- মাউস ডাবল ক্লিক পর্যবেক্ষণের টুল খুলে সময়সীমা ডিফল্ট (500 ms) রাখুন।
- শুরু করুন। পরীক্ষার অংশে বাম বোতাম একবার চাপুন, প্রায় এক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এভাবে 20 বার করুন।
- ডান বোতাম বা হুইল বোতাম দেখতে চাইলে সেটির জন্য একই পদ্ধতি আলাদাভাবে করুন।
- বন্ধ করে দ্রুত পুনরাবৃত্তির সংখ্যা ও প্রতিটি বোতামের বিরতির তালিকা দেখুন।
- প্রতি সেকেন্ডে প্রায় এক ক্লিক করলে বেশির ভাগ বিরতি 1000 ms-এর কাছাকাছি হবে।
- কয়েক দশ মিলিসেকেন্ডের অনিচ্ছাকৃত খুব ছোট বিরতি থাকলে সংখ্যা ও বোতামটি লিখে রাখুন।
- দ্রুত পুনরাবৃত্তি শূন্য মানে সুইচ ভালো প্রমাণিত নয়; শুধু এই পরীক্ষায় পুনরাবৃত্তি দেখা যায়নি।
ছোট পুনরাবৃত্তি দেখা গেলে সম্ভাব্য কারণ
ব্রাউজারে দুটি চাপ এলে সাধারণত চাপের সংকেত দুবার তৈরি হয়েছে। নিচের কারণগুলো ব্রাউজার আলাদা করতে পারে না, তাই সংখ্যাকে কেবল পাওয়া ইনপুটের পর্যবেক্ষণ হিসেবে ধরুন।
অস্থির ওয়্যারলেস সংযোগে পয়েন্টার আটকে আটকে চলতে বা ইনপুট দেরিতে আসতে পারে। শুধু তা দিয়ে বাড়তি চাপ তৈরি প্রমাণ হয় না। এক সংযোগে ছোট পুনরাবৃত্তি হয়, অন্যটিতে হয় না—এটুকু তুলনা করুন।
- বোতামে আঙুল সামান্য লাফানো বা চাপ দেওয়ার সময় চাপের জোর বদলানো
- নির্মাতার সফটওয়্যারে ম্যাক্রো বা টার্বো এক চাপকে একাধিক চাপ হিসেবে পাঠানো
- সুইচের সংযোগস্থল ক্ষয়ের মতো যান্ত্রিক কারণ
চাপ একবার, কিন্তু আচরণ আলাদা
সিস্টেমের ডাবল ক্লিক গতি শুধু দুটি ক্লিকের সর্বোচ্চ বিরতি ঠিক করে, যার মধ্যে ডাবল ক্লিক ধরা হবে। এটি চাপ বাড়ায় না; একই দুটি ক্লিক ডাবল ক্লিক হিসেবে ধরা হবে কি না, শুধু সেটি বদলায়।
ClickLock চালু থাকলে বোতাম কিছুক্ষণ ধরে ছেড়ে দেওয়ার পরও চাপা হিসেবে থাকে। তাই টানা ড্র্যাগ বা নির্বাচন না ছাড়ার মতো লাগতে পারে।
File Explorer-এ এক ক্লিকে খোলার সেটিং থাকলে এক ক্লিকে ফাইল খোলা স্বাভাবিক; সেটি ডাবল ক্লিকের ত্রুটি নাও হতে পারে।
এসব সেটিং ব্রাউজারের চাপ বা দ্রুত পুনরাবৃত্তির হিসাবে দেখা যায় না। ব্রাউজারে ছোট পুনরাবৃত্তি না থাকলেও ডেস্কটপ বা কোনো অ্যাপে অস্বাভাবিক আচরণ হলে আগে সেটিং দেখুন।
ধাপ 2 · একবারে একটি সেটিং বা সংযোগ বদলান
একসঙ্গে অনেক কিছু বদলালে কোনটি প্রভাব ফেলেছে বোঝা যায় না। নিচের একটি মাত্র বিষয় বদলে ধাপ 1-এর একই পদ্ধতিতে আবার দেখুন।
- এক ক্লিকে ফাইল খুললে File Explorer-এর ফোল্ডার অপশনে এক বা দুই ক্লিকে খোলার সেটিং দেখুন।
- Windows মাউস সেটিংয়ে ClickLock ও ডাবল ক্লিক গতি দেখুন। এগুলো শুধু ব্যাখ্যা বদলায়, তাই বদলানোর পরও ব্রাউজারে চাপের সংখ্যা একই থাকা স্বাভাবিক।
- নির্মাতার সফটওয়্যার ব্যবহার করলে বোতামে ম্যাক্রো বা দ্রুত পুনরাবৃত্তির কাজ দেওয়া আছে কি না দেখুন। এগুলো প্রকৃত চাপের ইভেন্ট বাড়াতে পারে।
- তারযুক্ত মাউস USB হাবের বদলে কম্পিউটারের অন্য পোর্টে সরাসরি লাগান।
- ওয়্যারলেস রিসিভার মাউসের কাছের পোর্টে নিন এবং নতুন বা পুরো চার্জের ব্যাটারি দিয়ে দেখুন।
- Bluetooth হলে আগের পেয়ারিং সরিয়ে আবার পেয়ার করুন।
- সম্ভব হলে অন্য কম্পিউটার বা ব্রাউজারে একই পদ্ধতি চালান।
ধাপ 3 · একই শর্তে আবার পরীক্ষা ও তুলনা
সময়সীমা, ক্লিকের সংখ্যা, গতি ও বোতাম একই রাখুন। শর্ত আলাদা হলে সংখ্যার পরিবর্তন সেটিং থেকে নাকি পদ্ধতি থেকে এসেছে বোঝা যায় না।
প্রতি পরীক্ষার পর সারাংশ সংরক্ষণ করে ডিভাইসের নাম, সংযোগ ও পরিবর্তনের নোট দিন। আমার ডেস্কে দুটি রেকর্ড পাশাপাশি দেখুন। পরের মাপ নতুন পরীক্ষা দিয়ে শূন্য থেকে শুরু করুন।
তুলনাও কেবল পর্যবেক্ষণের পার্থক্য। এক জোড়া ফল থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একই শর্তে একই ধরন আবার দেখা যায় কি না দেখুন।
পরবর্তী পদক্ষেপ, চাইলে
সেটিং ও সংযোগ বদলেও একই ধীর পদ্ধতিতে বারবার ছোট পুনরাবৃত্তি দেখা গেলে নির্মাতার সহায়তা বা ওয়ারেন্টির শর্ত দেখতে পারেন। তারিখ, চেষ্টা করা শর্ত ও সংখ্যা লিখে রাখলে ব্যাখ্যা সহজ হয়।
ওয়ারেন্টিতে পড়বে কি না এবং কী ব্যবস্থা হবে নির্মাতা বা বিক্রেতা ঠিক করেন। এই সাইটের রেকর্ড নিজে পরীক্ষা করার নোট, ওয়ারেন্টির সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক রোগনির্ণয় নয়।
এই গাইডে মাউস খোলা বা যন্ত্রাংশ বদলানো শেখানো হয় না। খুললে ওয়ারেন্টি প্রভাবিত হতে পারে।
এই গাইড যা করে না
ব্রাউজার সুইচের বৈদ্যুতিক অবস্থা, নির্ভুল USB পোলিং রেট বা বাকি আয়ু মাপতে পারে না। গাইড ও টুল কোনো পণ্যের মান বা নিশ্চয়তা দেয় না; ইনপুট রেকর্ড এই ব্রাউজারের বাইরে পাঠানো হয় না।
সূত্র
ব্রাউজার আসলে যা পর্যবেক্ষণ করতে পারে, তার সীমা অনুযায়ী লেখা।